বিজ্ঞাপনের লোভে হুন্ডি ব্যবসায়ী ও কালোটাকার মালিকদের সাচ্চা সাজানোর প্রয়াস আর কতকাল?

অতিথি প্রতিবেদক: বিলেতের বাংলা সাংবাদিকতা! বিজ্ঞাপনের লোভে হুন্ডি ব্যবসায়ী ও কালোটাকার মালিকদের সাচ্চা সাজানোর প্রয়াস আর কতকাল? সম্প্রতি বিলেতে প্রতিপক্ষের ছবি টাঙ্গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশের ঘটনা লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাবের নিজস্ব অফিসে বেশ ঝাকজমকপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

ক্লাব প্রেসিডেন্ট এমদাদুল হক চৌধুরী এমাদ একপক্ষের একতরফা রায়ের অন্যতম স্বাক্ষরদাতা। তথাকথিত সাংবাদিক যখন বিচারক হন, কতটা মিথ্যাচার তখন সত্য বলে চালিয়ে দেয়া সম্ভব? জাতি তা নতুন করে জানার সুযোগ পেয়েছে!
অসংখ্য তথ্য ও দলিল পাঠানোর পরও মিথ্যাচারের বেসাতি চালিয়েছেন তারা। নিজের কাগজে বিশাল শীরোনামে তা ছাপিয়ে সম্পাদকের বাহাদুরি প্রকাশ করতেও কুন্ঠাবোধ করেন নি?

আব্দুল বারি কতৃক অবৈধ পথে পাঠানো টাকার বিপরীতে এই চেকটি জুন মাসের ১৬ তারিখে ইস্যু করা হয়েছে। আর ২২ তারিখে সাউথইস্ট ব্যাংকে ক্যাশ হয়েছে। দেড় মাস আগে মে মাসের ৩ তারিখে তা নাকি ফেরত চাওয়া হয়েছে? এসব গাঁজা অন্তত প্রেস ক্লাবের অভ্যন্তরে চালানো ঠিক হয়নি।

কিছুদিন আগে প্রবাসিদের আরেকটি সফল বিনিয়োগ রাজধানী ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এন্ড রিসোর্ট নিয়ে একই কান্ড তিনি ঘটিয়েছেন। তাদের অভ্যন্তরীন সংকটে তিনি তেল ঢেলেছেন। ফলে প্রশাসন ও লুটেরা বাটপার কোটি কোটি টাকা ফাও খেয়েছে।

মহৎপ্রাণ আহমাদুস সামাদ চৌধুরীর দয়ায় পাওয়া সাপ্তাহিক পত্রিকা’র ভাবমূর্তি ও প্রেসক্লাবকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অধিকার সদস্যরা একদিন জানতে চাইবে নিশ্চয়ই।