ঢাকা রিজেন্সির আইপিও বন্ধে অর্থমন্ত্রীকে প্রবাসীর চিঠি

dhaka-regency
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল
Dhaka-Regency-Hotel
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে আবেদন করেছেন কয়েকজন যুক্তরাজ্য প্রবাসী। এই কোম্পানির শেয়ার নিয়ে জালিয়াতি হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানির মালিকানার জটিলতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি মামলা চলমান বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে অন্য বিনিয়োগকারীদের মতো অভিযোগকারীদের পরিবারের প্রায় আড়াই লাখ পাউন্ড বিনিয়োগ রয়েছে। তারা উদ্যোক্তাদের অনিয়ম ও প্রতারণার শিকার হয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আরিফ মোতাহার, কবির রেজা ও মুসলেহ আহমেদ নামের তিনজন উদ্যোক্তা হোটেল প্রতিষ্ঠাকালে কোম্পানির পরিচালক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। শুরুতে তাদেরকে পরিচালনা পর্ষদে রাখাও হয়। তাদের নামে বিজনেস কার্ড করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কৌশলে তাদেরকে পর্ষদ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

উল্লেখ, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওতে বাজারে আসতে ঢাকা রিজেন্সি সম্প্রতি রোড শো করেছে। এর আগেও ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে বাজারে আসার চেষ্টা করেছিল কোম্পানিটি।

এই অভিযোগপত্র অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতসহ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান, লন্ডনের মেয়র, হাউস অব কমন্স, ব্রিটিশ হাই কমিশন, লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এনিয়ে কোম্পানির সচিব মিজানুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, অভিযোগটি সত্য নয়। এর আগেও তারা অভিযোগ করেছিল,তার ভিত্তিতে দুদক তদন্তও করেছিল। কিন্তু বিষয়টির সত্যতা মিলেনি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কোম্পানিতে ১২৪ জন শেয়ারহোল্ডার রয়েছে। অভিযোগকারী ৩ জনই ভাই। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির পরিচালক পদ পেতে হলে নূন্যতম ২ শতাংশ শেয়ার ধারণ বাধ্যতামূলক। তবে তাদের ৩ ভাইয়ের মোট শেয়ার ২ শতাংশের কম হওয়ায় তারা পরিচালক হতে পারছেন না।

মিজান বলেন, একজন শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোম্পানির লভ্যাংশ তারা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নেওয়ার সুযোগ তাদের রয়েছে। আর এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি সম্পর্কে তারা জানেন না বলে নিশ্চিত করেন তিনি।