ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট: ঢাকার বিমানবন্দর সংলগ্ন খিলক্ষেত এলাকায় অবস্থিত ‘চার তারকা’ হোটেলটি এখন অপরাধীদের আখড়া। শুল্ক গোয়েন্দাদের অভিযানে এই হোটেল থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমান বিদেশী মদ বিয়ার। এসময় জব্দ হয়েছে মাদক পাচারে ব্যবহৃত হোটেল রিজেন্সি পরিচালক মোতাহারের বহুদামি রেঞ্জ রোভার গাড়িটি। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের এ গাড়ি দেশে আনা হয়েছিল। গাড়িটিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সংসদ সদস্য অথবা গোয়েন্দা সংস্থার স্টিকার লাগিয়ে মাদক পাচার করা হতো একস্থান থেকে অন্যস্থানে, অহরহ।
এছাড়া হোটেলটিতে মদের আড্ডায় নাচ-গানের নামে যা হয় তা যেন সাক্ষাৎ এটা ইউরোপীয় কোন দেশের হোটেল। অর্থাৎ মদ নারীর বেল্লোপনা, অশ্লীলতা আর জুয়া বাণিজ্যে একাকার অবস্থা। শুল্ক গোয়েন্দাদের অভিযানে এই হোটেলের অন্দরমহলের নানা তথ্য বেরিয়ে আসে। ফাঁস হয়ে যায় মাদক ব্যবসার গোমর তথ্য। এরপর থেকেই খিলক্ষেত এলাকায় অবস্থিত রিজেন্সি হোটেলটি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে আনা প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা দামের রেঞ্জ রোভার গাড়িটি ব্যবহার করতেন হোটেলের অন্যতম মালিক আরিফ মোতাহার। এই গাড়ি আমদানিতে অন্তত আড়াই কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশনও ছিল ভুয়া। শোরুমের  নম্বরপ্লেট লাগিয়ে গাড়িটি চালানো হচ্ছিল। এছাড়া আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে গাড়িতে সংসদ সদস্য’র স্টিকার ছাড়াও পুলিশ, ডিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃংখলা বাহিনীর নামযুক্ত স্টিকার ব্যবহার করা হতো। ফাইভ স্টার খ্যাত চার তারকার হোটেল রিজেন্সির মালিকরা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে গাড়ি আমদানি, মাদক-জুয়ার বাণিজ্য আর নারীঘটিত বেলেল্লাপনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত, মানি লন্ডারিংয়ের মতো গুরুতর নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে হোটেলটির প্রধান তিন মালিককে উদ্দেশ্য করে দেশে বিদেশে ‘থ্রি স্টার চিটার’ বলেও খেতাব দেয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, হোটেলটি করার সময় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে হোটেল নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা নেয়া হয়েছে। হোটেল তৈরি করার সময় বলা হয়েছিল হোটেলটির উদ্যোক্তা মুসলেহ আহম্মদ, কবির রেজা এবং আরিফ মোতাহারসহ চার উদ্যোক্তা প্রকল্পে ৫২ শতাংশ বিনিয়োগ করবে। কিন্তু প্রবাসীরা জানতে পেরেছেন এবং প্রমাণ পেয়েছেন উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ না করেই শতভাগ মালিকানা ভোগ দখল করে চলছে।
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরিফ মোতাহার এবং অপর দুই পরিচালক কবির রেজা ও মুসলেহ আহমেদের বিরুদ্ধে লন্ডন প্রবাসীদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির এ তিন হেভিওয়েট কর্তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের তলব করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সংস্থাটির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানায়, লন্ডনপ্রবাসী কয়েকজন বাঙালি ১৫তলা এই হোটেল স্থাপনে বিনিয়োগ করলেও গত সাত বছরে তারা কোনো রকম লভ্যাংশ পায়নি। এমনকি প্রবাসী এই বিনিয়োগকারীদের হোটেলটির ‘পরিচালক’ পদ দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। পরিচালক হিসেবে এসব প্রবাসী বিনিয়োগকারীকে শুধুমাত্র কার্ড দেওয়া হয়েছে-এর বিনিময়ে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে কোটি কোটি টাকা। এভাবে শুধু লন্ডন প্রবাসী বাঙালিদের কাছ থেকেই অন্তত ৫০ কোটি টাকা প্রতারণামূলক আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও সৌদী প্রবাসী কয়েকজন ব্যবসায়ি থেকেও শত কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগ উঠেছে।  প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এসব বিনিয়োগকারীদের হোটেলের মালিকানা ও লভ্যাংশ না দেওয়ায় তারা টাকা ফেরত চাইলে তাও দেওয়া হচ্ছে না। এসব নিয়ে মামলা পাল্টা মামলায় প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের সীমাহীন হয়রানির মুখে ফেলা হয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনার অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
কমিশন সূত্র জানায়, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের কয়েকজন কর্তা-ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুদকে প্রাপ্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যে কর্মকর্তাও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে উদঘাটিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা য়ো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, প্রবাসীদের কাছে টাকা নিয়ে এমডি ও দুই পরিচালক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন। দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা ইতিমধ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। বিএসইসি’র কাছে পাঠানো দুদকের উপ-পরিচালক আক্তার হামিদ ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের পরিচালকদের বিরুদ্ধে লন্ডন প্রবাসীদের অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এ কোম্পানির পরিচালকরা অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের জন্য প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে। তাই অভিযোগগুলো সুষ্ঠু অনুসন্ধানের লক্ষ্যে কোম্পানিটির শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত সব তথ্য পর্যালোচনা করার প্রয়োজন রয়েছে। তাই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির লক্ষ্যে বিএসইসির কাছে দাখিলকৃত তথ্য দুদকে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।
রিজেন্সি’র ১৬ মামলায় প্রবাসীরা কারাগারে!
ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। সুন্দর, মনোরম একটা পাঁচতারা হোটেল। অনেকেই সেখানে যাচ্ছেন, রাঙিয়ে নিচ্ছেন জীবনের কিছুটা সময়। কিন্তু কেউ কি জানেন, এই হোটেলটা গড়ে উঠেছে যাদের পরিশ্রমের টাকায়, তারা আজ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় জেল খাটছেন! এসব থেকে পালানোর রাস্তা খুঁজছেন কেউ কেউ! বিভিন্ন দপ্তরে আর নীতি নির্ধারকদের দরজায় ধর্ণা দিতে দিতে তাদের খাওয়া-ঘুম হারাম হয়ে গেছে। স্বাভাবিক আয় রোজগারের দিকেও মনোযোগ দিতে পারছেন না তারা। ফলে অনেক পরিবারকে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
দীর্ঘদিন প্রবাস জীবনে আয় করা সমস্ত অর্থ রিজেন্সিতে বিনিয়োগ করেছিলেন। সেখান থেকে মালিকানা ও লভ্যাংশের পরিবর্তে এ পর্যন্ত তাদের ভাগ্যে জুটেছে ১৬টি মামলা। দেশে এসে সপ্তায় সপ্তায় মামলার হাজিরা দিতে দিতে তারা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন। প্রবাসী এক বিনিয়োগকারীকে মারধর করে বুকের হাড় ভেঙে আবার প্রবাসে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অন্যজনকে দুই দিন দুই রাত হোটেলের বাথরুমে আটকিয়ে রেখে স্ট্যাম্পে সহিসাক্ষর আদায় করে সরাসরি বিমানে নিয়ে তুলে দেয়া হয়েছে। ওই প্রবাসী হোটেলের মালিকানার দাবি ছেড়ে দিয়ে নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করার আকুতি জানিয়েও ছাড়া পাননি, তাকে দেশে আর না আসার অঙ্গিকারনামা আদায় করে আবার প্রবাসে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
রিজেন্সি হোটেলের তিন উদ্যোক্তা পরিচালক হচ্ছেন মুসলেহ আহমেদ, কবির রেজা ও আরিফ মোতাহার। তারা ২০০৫ সালে লন্ডন গিয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপের (বিবিআইজি) আওতায় স্বদেশে বিনিয়োগের জন্য প্রবাসীদের আহ্বান জানান। ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এন্ড রিসোর্ট নামে ৫ তারকাবিশিষ্ট একটি হোটেলে বিনিয়োগের জন্য তারা ব্রিটেন প্রবাসী বাঙালীদের উদ্বুদ্ধ করেন। ব্যবসা বাণিজ্য দেশে করলে দেশের লাভ হবে! এসব নীতিবাক্য শুনেই এগিয়ে আসেন প্রবাসীরা। ২৫ হাজার পাউন্ড থেকে এক লাখ ৭৫ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত নানা হিসাবে বিনিয়োগ করেছেন তারা।
বিনিয়োগের শর্তের মধ্যে ছিল, বিনিয়োগকারীরা সকলেই কোম্পানির পরিচালক হিসেবে মনোনীত হবেন। তারা  কোম্পানির লভ্যাংশ আইন অনুযায়ী নিয়মিত পাবেন। পরিচালকের সুযোগ সুবিধাদি ভোগ করবেন প্রত্যেক বিনিয়োগকারী। সেইমতে, বিনিয়োগের পর তখন সব বিনিয়োগকারীকেই ইউনিক কোডসহ আইডি কার্ড দিয়ে এবং ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের প্যাডে লিখিতভাবে জানানো হয় যে, তারা ঢাকা রিজেন্সি হোটেলের পরিচালক। কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা বুঝতে পারলেন যে, তারা প্রতারণার শিকার। হোটেল পরিচালনাকারী কোম্পানিতে দেখা গেল, বিনিয়োগকারীদের কারও নাম নেই। কোম্পানি করা হয়েছে শুধু উদ্যোক্তা তিন পরিচালক মুসলেহ আহমেদ, কবির রেজা ও আরিফ মোতাহার এবং তাদের মা, স্ত্রীসহ সাতজনের নামে। হোটেল উদ্বোধনের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রবাসী পরিচালকরা তাদের বিনিয়োগের কোনো লভ্যাংশ না পেয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়েন। তারা দফায় দফায় তিন উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে ধর্ণা দিয়েও কোনো সুফল পাননি।
তারা অভিযোগ নিয়ে হাজির হন সরকারের ব্যবসা বাণিজ্য ও প্রবাসী বিনিয়োগ সংক্রান্ত দপ্তরগুলোতেও। কিন্তু সেখানেও তারা কোনো ফল পাননি। পরবর্তীতে তারা ড. কামাল হোসেন অ্যাসোসিয়েটসের মাধ্যমে একটি লিগাল নোটিশ পাঠান তিন পরিচালকের উদ্দেশে। তাতে মনোযোগ না দিয়ে তিন পরিচালক প্রথমে বিনিয়োগকারী শাহ আশরাফের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পরবর্তীতে তাদের কাছে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে বলে আরও ৭ বিনিয়োগকারীর নামে মামলা ঠুকে দেন। এরপর চলতেই থাকে একের পর এক মামলা। বিনিয়োগকারী হিসেবে যারাই নিজেদের পাওনা দাবি করেছেন, রিজেন্সি হোটেলের ওই তিন পরিচালক তাদের নামেই ভুয়া জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অপহরণের অভিযোগ এনে একটার পর একটা মামলা দিয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ১৬টি মামলা করেছেন। ঢাকার যাত্রাবাড়ী, খিলক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, পল্টন থানা থেকে শুরু করে সিলেট, যশোর, ঝিকরগাছা থানায়ও প্রবাসীদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে খিলক্ষেত থানা পুলিশ বরাবরই হোটেল রিজেন্সির তিন পরিচালকের পক্ষাবলম্বন করে নানা কায়দা কৌশলে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের চরম নাজেহাল করে চলছে।
বিনিয়োগকারী প্রবাসীদের অনেকে গত ২৫/৩০ বছরেও দেশের মাটিতে পা দেননি। অথচ তাদের নামেও পল্টন, খিলক্ষেত, যাত্রাবাড়ী থানায় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে রেখেছে রিজেন্সি কর্তৃপক্ষ। দেশের সুবিধাজনক বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করে সেসব মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি খিলক্ষেত ও বিমানবন্দর থানায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের কেউ দেশে এসে বিমানবন্দরে নামতেই খিলক্ষেত ও বিমানবন্দর থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পথরোধ করে দাঁড়াচ্ছে। বিমান থেকে নামতেই সোজা পুলিশ তাদের থানা হাজত, কোর্টকাচারী ঘুরিয়ে জেলখানায় পৌঁছে দিচ্ছে। কয়েক মাস জেলহাজতের দুর্দশা কাটিয়ে তারা আর এক মুহূর্তও দেশে থাকতে চান না, আমৃত্যু আর দেশে না ফেরারও অঙ্গিকার করে প্রবাসে চলে যাচ্ছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান বলেন, ঢাকা রিজেন্সির সাথে কারো কোনো সমস্যা হয়নি, দ্বন্দ্বও নেই। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কথা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, এটা হোটেলের সাথে নয়, এটি বিনিয়োগকারী ও পরিচালকদের ব্যাক্তিগত দ্বন্দ্ব। আর অর্থ আত্নসাতের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, দুদক ঢাকা রিজেন্সিকে ক্লিন সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে আরিফ মোতাহার ও মুসলেহ আহমেদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিচালক কবির রেজা ফোন ধরলেও তিনি কোনো মতামত দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘আপনারা যা খুশি তা লিখতে পারেন।